শুক্রবার, ১০ Jul ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
শাহমিজ বকুলকে মেহেরপুর জেলা সমিতির শুভেচ্ছা মেহেরপুর জেলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক প্রফেসর ড. আব্দুর রশিদকে ফুলেল শুভেচ্ছা ‘ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার’ গাংনীতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এমপি তাজউদ্দীন খানের নিরলস প্রচেষ্টার ফল: রেলপথ পাচ্ছে মেহেরপুর মেহেরপুর জেলা সমিতির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী, বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মেহেরপুর জেলা সমিতি, ঢাকার নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত; উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত মেহেরপুর সদর উপজেলায় টিআর ও কাবিখা কর্মসূচির আওতায় সাড়ে ৩৩ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন গাংনী র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার কে.এম.এ. মামুন খান চিশতীকে বিদায় সংবর্ধনা মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‌‘মাথায় ক্যামেরা, খুনের পর সেলফি তুলেছিল তারা’

ভারত-শাসিত কাশ্মিরের পেহেলগামে সপরিবার ঘুরতে গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের ৫৮ বছরের সুশীল নাথানিয়েল। স্ত্রী, পুত্র, কন্যাকে নিয়ে সেই ঘুরতে যাওয়াটাই কাল হলো তার।  কাশ্মির-ভারত হামলায় প্রাণ দিতে হলো তাকে। চোখের সামনে বাবার মৃত্যু দেখলেন পুত্র অস্টিন ওরফে গোল্ডি। তিনি জানান, যারা তার বাবাকে মেরেছে, তাদের বয়স ১৫ থেকে ১৬ বছরের বেশি নয়। প্রত্যেকের মাথায় ক্যামেরা বসানো ছিল। খুনের পর সেলফিও তুলছিল তারা।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে অস্টিন আরও জানিয়েছেন, তার বোনের পায়েও গুলি লেগেছে। তবে তার এবং তার মায়ের কোনো আঘাত লাগেনি। বাবার মৃত্যুর পর কোনো রকমে মা ও বোনকে নিয়ে সেখান থেকে পালাতে পেরেছিলেন অস্টিন।

তিনি বলেন, এদের মধ্যে বাচ্চা বাচ্চা কয়েকজন ছেলে ছিল। খুব বেশি হলে ওদের বয়স ১৫ বছর হবে। অন্তত চারজন ছিল ওরা।

কী ঘটেছিল সেদিন তা জানিয়ে অস্টিন বলেন, পর্যটকদের ধর্মীয় পরিচয় জিজ্ঞাসা করছিল। একটি বিশেষ ধর্মের মানুষ ছাড়া কাউকে ছাড়েনি। আমার বাবা ভিনধর্মী জানতে পেরে গুলি চালিয়ে দেয় তারা। পালাতে গিয়ে একটি গুলি লাগে আমার বোন আকাঙ্ক্ষার পায়ে।

তিনি বলেন, ‘ওই জায়গাটায় আরও বেশি করে পুলিশ এবং সেনা মোতায়েন করা হোক। আমি সেটাই চাই। কারণ, ওখানে প্রচুর মানুষ ঘুরতে যান। তাদের নিরাপত্তা চাই।’

গত ২২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে ভারতের জম্মু ও কাশ্মির রাজ্যের পেহেলগামে বৈসরণ তৃণভূমিতে পর্যটকদের ওপর হামলা চালায় কাশ্মিরভিত্তিক লস্কর-ই তৈয়বার উপশাখা দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট।

স্বয়ংক্রিয় রাইফেল নিয়ে হামলাকারীরা অন্তত ২৬ পর্যটককে গুলি করে হত্যা করেছে। তাদের গুলিতে আরও বেশ কয়েকজনকে আহত হন। যাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তারা সবাই পুরুষ। বস্তুত, ২২ এপ্রিলের হামলা ছিল ২০১৯ সালের পুলোয়ামা হামলার পর জম্মু ও কাশ্মিরে সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী হামলা।

ভয়াবহ এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত এবং তাৎক্ষণিকভাবে দেশটির সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিতসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। পাল্টা জবাব হিসেবে ভারতের জন্য নিজেদের স্থল ও আকাশসীমা বন্ধসহ একাধিক পদক্ষেপ নেয় পাকিস্তানও।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved Meherpur Sangbad © 2025